পানীয় জল

বিভিন্ন জলাশয় থেকে জল আহরণ করে কৃত্রিম উপায়ে তা পরিশোধন করার ফলে সেই জল যখন নিরাপদে পান করার উপযোগী হয়ে ওঠে তখন তাকে বলা হয় পানীয় জল বা পানযোগ্য জল। অধিকাংশ উন্নত দেশে গার্হস্থ্য ব্যবহারের জন্য এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে যে জল সরবরাহ করা হয় তা পানীয় জলের গুণমান বজায় রেখেই করা হয়ে থাকে।[1] যদিও সেই জলের অতি স্বল্পাংশই পান করা অথবা রন্ধন, ইত্যাদি কার্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। কিন্তু বিশ্বের বহুলাংশেই যে জল পানীয় হিসেবে ব্যবহৃত হয় তা ভীষণভাবেই পান করার পক্ষে অনুপযোগী এবং অস্বাস্থ্যকর। [2] এই সমস্ত জলের মাধ্যমে নানাবিধ রোগসৃষ্টিকারী জীবাণু এবং ক্ষতিকারক পদার্থ মানবদেহে প্রবেশ করে এবং ফলস্বরূপ বহু মানুষ বিভিন্ন জলবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়। সাধারণত স্থানীয় পৌরসংস্থা অথবা দেশের সরকার কর্তৃক যে জল সরবরাহ করা হয়ে থাকে তা পানীয় জলের উৎকর্ষ বজায় রাখে। সেই জল যদি কৃষি অথবা অন্য কোন ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে তবুও গুণগত মানের কোন তারতম্য হয় না। এক্ষেত্রে একমাত্র ব্যতিক্রম চীন, কারণ সেই দেশে পানীয় জলের সরবরাহ বাধ্যতামূলক নয়।

কলের জল
খনিজ মিশ্রিত জল

জলের গুণগতমান এবং জলে মিশ্রিত দূষিত পদার্থ দূরীকরণ

আরও দেখুন

তথ্যসূত্র

  1. Ann C. Grandjean (আগস্ট ২০০৪)। "3"। Water Requirements, Impinging Factors, and Recommended Intakes (PDF)। World Health Organization। পৃষ্ঠা 25–34। ২০১৬-০২-২২ তারিখে মূল (pdf) থেকে আর্কাইভ করা।
  2. Exposure Factors Handbook: 2011 Edition (PDF)। National Center for Environmental Assessment। সেপ্টেম্বর ২০১১। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০১৫

বহিঃসংযোগ

This article is issued from Wikipedia. The text is licensed under Creative Commons - Attribution - Sharealike. Additional terms may apply for the media files.